Thursday, 19 July 2018

Deyal | Humayun Ahmed

হুমায়ূন আহমেদের শেষ উপন্যাস 'দেয়াল' পড়ে শেষ করলাম আজকে। আজকে মৃত্যু বার্ষিকী হিসেবে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে শেষ করা এমনটা না। দুই দিন আগে বাসে পড়া শুরু করেছিলাম, আজকের মিরপুর ২ এর জ্যামে এসে শেষ হলো এই আরকি। এমনিতে আমার মানুষের জন্ম মৃত্যু দিবস খুব একটা মনে থাকে না। যেবার আম্মা হাসপাতালে ছিল নিজের জন্মদিনের কথাও ভুলে গিয়েছিলাম। ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট দেখে বিভিন্ন বিখ্যাত মানুষের জন্ম -মৃত্যু দিবসের তারিখ নজরে আসে এই যা। আরও একটি বিষয় জানিয়ে রাখা ভালো। আমি খুব ভালো পাঠক না। মাঝে মধ্যে দুই একটা বই পড়ি। ১২ সালে যখন স্যারের মৃত্যুর সংবাদ শুনেছিলাম, তখন কেমনজানি একটা শূন্যতা অনুভব করলাম। খেয়াল করলাম চোখের কোনে জল ঝমছে। আমি কিন্তু তখন হাতে গোনা কয়েকটা বই পড়েছিলাম মাত্র। তাছাড়া সচরাচর বিখ্যাত ব্যক্তিদের মৃত্যুর সংবাদে আমাকে খুব একটা নাড়া দেয় না। সংবাদ শোনে ব্যথিত হই, আবার ঠিক হয়ে যায়....
এবার 'দেয়াল' নিয়ে কথা বলা যাক-


ছবি- Musleha Yasmin Mitu
'দেয়াল' একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। যেখানে বঙ্গবন্ধু হত্যা থেকে শুরু করে মেজর জিয়া হত্যা পর্যন্ত উল্লেখ রয়েছে। শুরুর দিকে পড়ে তেমন একটা উপভোগ করছিলাম না। বারবার এরকম মনে হচ্ছিল লেখক চরিত্রগুলো বুনতে ব্যর্থ হচ্ছে। মাথার মধ্যে লেখকের 'জোছনা ও জননীর গল্পের' সঙ্গে তুলনা চলে আসছিল। লেখক 'জোছনা ও জননীর গল্পে' যেরকমভাবে চরিত্রগুলো একেছিলেন ঠিক সেরকমটা হয়ে উঠছে না। লেখায় তারাহুরা, গল্প শেষ করতেই হবে এরকম ইচ্ছা। সম্ভবত লেখক বুঝতেই পেরেছিলেন তার হাতে বেশি একটা সময় নেই। আবার পড়তে পড়তে গল্পের ভিতরে ঢুকে গেলাম। 'দেয়াল' বেশ বিতর্কিত উপন্যাস। প্রথম আলোতে কিছু অংশ প্রকাশিত হওয়ার পরেই বিতর্কের সৃষ্টি। শেষ পর্যন্ত আদালত পর্যন্ত গড়ালো। বাকিটা সবারি মোটামোটি জানা। বইটা পড়ার পর একটা আগ্রহ রয়ে গেল, হুমায়ুন আহমেদ বেঁচে থাকলে উপন্যাসটা ঠিক কোথায় শেষ করতেন তা জানার জন্য।

Thursday, 5 July 2018

Gagan Harkara

Gagan Harkara

Gagan Chandra Dam mainly known as GaganHarkara was a Bengali Baul poet. The most underrated baul poet in Bangladesh. Gagan Harkara was born around 1845 at Kasba village in kumarkhali district in khushtia and passed away in 1910. He was a postman on kumarkhali. So people of kumarkhali called him as a Harkara, which is the Bengali meaning of the postman.
GaganHarkara was a baul song writer and composer. He mainly followed the great baul Lalon Shah. He is the disciple of Lalon Shah.
Rabindranath Tagore used to go regularly to look after zamindari in Shilaidah and Shahjadpur Bangladesh from 1889 to 1901. Then Rabindranath Tagore met with Gagan Harkara. Gagan Harkara was delivered and collecting letter from Rabindranath Tagore. Whenever Rabindranath Tagore was in shilaidaha he used to hear Gagan’s song. He liked the way Gagan Harkara was singing and writing song.

Rabindranath Tagore loved baul song most. Most of the time Rabindranath Tagore wanted to listen Lalon and Harkara’s own song from Gagan Harkara. Among the entire disciple of Lalon Shah, Rabindranath Tagore loved Gagan Harkara most. Rabindranath published most of Harkara’s song in his magazine. Rabindranath Tagore niece Sarala Devi had also published an article about Lalon and Gangan Harkara in ‘Bharati’.  Rabindranath Tagore tried to help and promote the Bengal baul song.


Most of Gagan Harkara’s song was unfound. His most renowned song was ‘Ami kothay pabo tare, Amar moner manush jare’. After coming to Shilaidah, Rabindranath was influenced by Sanyaji Lalon and after Lalon Rabindranath again influenced by Gagan Harkara’s song. Rabindranath Tagore composed ‘Amar sonar Bangla’ on the basis of Gagan’s popular song ‘Ami kothaypabo tare.’  During break down of Bengal in 1905 Rabinranath Tagore composed this song. After the liberation war of Bangladesh, we used ‘Amar Sonar Bangla’ as our national anthem.

Some people said that Rabindranath Tagore copied Gagan Harkara’s song but this is not true. Rabindranath was a huge fan of baul song of Bangla. He helped local baul of kushtia by publishing their lyrics in his magazine. This is not an only song which Rabinranath influenced. Many of his songs were influenced by Bengali baul song.  See what Rabinranath mentioned about Gagan-
“In the same village I came into touch with some Baul singers. I had known them by their names, occasionally seen them singing and begging in the street, and so passed them by, vaguely classifying them in my mind under the general name of Vairagis, or ascetics. The time came when I had occasion to meet with some members of the same body and talk to them about spiritual matters. The first Baul song, which I chanced to hear with any attention, profoundly stirred my mind. Its words are so simple that it makes me hesitate to render them in a foreign tongue, and set them forward for critical observation. Besides, the best part of a song is missed when the tune is absent; for thereby its movement and its color are lost, and it becomes like a butterfly whose wings have been plucked. The first line may be translated thus: 'Where shall I meet him, the Man of my Heart?' This phrase, 'the Man of my Heart,' is not peculiar to this song, but is usual with the Baul sect. It means that, for me, the supreme truth of all existence is in the revelation of the Infinite in my own humanity. 'The Man of my Heart,' to the Baul, is like a divine instrument perfectly tuned. He gives expression to infinite truth in the music of life. And the longing for the truth which is in us, which we have not yet realised, breaks out in the "Ami Kothay Pabo Tare". The name of the poet who wrote this song was Gagan. He was almost illiterate; and the ideas he received from his Baul teacher found no distraction from the self-consciousness of the modern age. He was a village postman, earning about ten shillings a month, and he died before he had completed his teens. The sentiment, to which he gave such intensity of expression, is common to most of the songs of his sect. And it is a sect, almost exclusively confined to that lower floor of society, where the light of modern education hardly finds an entrance, while wealth and respectability shun its utter indigence. In the song I have translated above, the longing of the singer to realize the infinite in his own personality is expressed. This has to be done daily by its perfect expression in life, in love. For the personal expression of life, in its perfection, is love; just as the personal expression of truth in its perfection is beauty.”
Rabindranath Tagore wrote a drama named ‘Dakghar’ which is about Gagan Harkara’s life story. Later Satyjit Ray made a movie based on this drama named ‘The Postman’.


References:






Monday, 30 April 2018

AVENGERS INFINITY WAR | REVIEWED BY SYFUL |

|Avengers: infinity war|

ইনফিনিটি ওয়ারের যেসব স্পইলার আকাশে বাতাসে উড়ছে। ওইগুলোকে উড়তে দেন। ঐগুলো জানলেও আপনি স্পইলড বা ক্ষতিগ্রস্থ হবেন না। লোগান যখন দেখেছিলাম, লোগানের শেষ পরিণতি জানা ছিল তাও মুভির প্রতি ভালো লাগা একটুও কমেনি।

মার্ভেলের মুভিতে সবসময় একটু এন্টারটেইনমেনট উপাদান বেশী থাকে। মুভি দেখবো উপভোগ করবো শেষ। এগুলো নিয়ে অনেক সিনেমা প্রেমিক, ক্রিটিক্সদের আক্ষেপের শেষ ছিল না। ইনফিনিটি ওয়ার মনে হল এতসব আক্ষেপের সমাধান। এরকম একটা ফিল্ম বানানোর জন্যই বোধয় মারভেল এতো বছর ধরে চরিত্রগুলো গুছাচ্ছিলো।

ব্যক্তিগতভাবে আমি এরকম সিকয়েন্স মুভির পক্ষে না। আমার মতে দর্শক হলে যাবে দুই আড়াই ঘণ্টার একটা মুভি উপভোগ করবে, মুভিটা এখানেই শেষ হবে। কয়েকদিন পর আবার যাবে আরেকটা অন্য গল্পের মুভি দেখতে। মুভির একটা পর আরেকটা সিকয়েন্সকে মুভি বলা চলে না, এগুলো সিরিজ হয়ে যায়। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত মতামত মতের পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক।

ইনফিনিটি ওয়ার নিয়ে ফেবুতে একটা পোস্ট দেখা যাচ্ছে যে ইনফিনিটি ওয়ার দেখতে হলে আগে  এই সতের আঠারোটা মুভি দেখতে হবে। সিকয়েন্স মুভিগুলোর এই একটা প্রবলেম আপনি যদি আগের ফিল্মগুলো দেখে না থাকেন তাহলে আপনার জন্য চরিত্রগুলো ধরা খুব কঠিন হয়ে পরবে। তবে মারভেল চেষ্টা করেছে যাতে করে নতুনদের মুভি বুঝতে কষ্ট না হয়। কিন্তু আপনি যদি আগের মুভি গুলো দেখে না থাকেন তাহলে চরিত্রগুলো আপনাকে ভাবাবে না। এই মুভিটা আগের মুভিগুলোর মত না , এই মুভিটা আপনাকে যেমন হাসাবে তেমনি চরিত্রগুলোর সাথে ইমোশনাল এটাচমেন্ট তৈরি করবে।তাই আগেরগুলো না দেখে আপনি এই মুভিটা দেখে মজা পেলেও তেমন আহামরি কিছু মনে হবে না।

মুভির বেশকয়েকটা অংশ আলোচনা করার মত ছিল। দর্শক যাতে করে স্পইলড না হয় সে জন্য আলোচনা করা হলো না। মারভেলের আগের মুভিগুলোই ছিল যে, ভিলেইন যতই পওারফুল হোক না কেন ভিলেইনের শেষ পরিনতি সবার জানা ছিল। মুভির পরের সিকোয়েন্সে কি হবে তাও প্রেডিক্‌টেবল ছিল। এখানে এরকমটার সুযোগ কম।সবমিলিয়ে মুভি উপভোগ্য এবং বেশ ভালো। অনেকে এই মুভিকে সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ মুভি বলতেছে। এগুলো ইগনোর করা ভালো। যারা বলছে তারা খুব বেশী আবেক প্রবণ হয়ে বলছে।

Tuesday, 20 February 2018

Black Panther(Don't waste your money) | Negative review | Syful

Today I have watched Black Panther 3D and totally disappointing. I had a pretty high expectation about this film. Only because of it is certified fresh of rotten tomatoes. But after watching, I realized it is f** overrated shit. This movie story plot is too weak and so common and predictable. This movie has nothing to see. I like the black panther but I hate this film. Totally disappointed and wastage of money. I gave it 2 stars only because of some funny dialogue and some action scene. Please don't call me racist I am black also.

Sunday, 29 October 2017

DHANANJOY

বাংলা ছবি বা বাংলা ভাষাভাষী ছবি হিসেবে ধনঞ্জয় বেশ ভাল ছবি। ১৯৯০ সালের সত্য ঘটনা অবলম্বনে ছবিটি নির্মিত। সে সময়ের এক স্কুল ছাত্রীর ধর্ষন ও হত্যা মামলার আসামি হচ্ছে ধনঞ্জয়। ধনঞ্জয়কে ঘিরে পুরো ছবির কাহিনী এগোতে থাকে।
পুরো ছবিতেই বেশ তারাহুরা ছিল। ছবির প্রথম থেকেই এক পার্টিকে ইনোসেন্ট বানানোর বেশ চেষ্টা চালানো হয়েছে। এই দিকটা আমার কাছে ভালো লাগে নাই। যেহেতু ছবিটার দুইটা পার্ট ছিল, ছবির প্রথম অংশ নিরপেক্ষ ভাবে করলে আমার মনে হয় ভাল হত। এরকম কোর্ট ড্রামার এন্ডিং নন প্রেডিকট্যাল হলে জমে বেশি। পরিচালক অরিন্দম শীল হয়তো ধরেই নিয়েছেন এই গল্পটা সবায় জানে, সু এখামে প্যাঁচানোর কোন প্রয়োজন নেই।সবমিলিয়ে খারাপ ছিল না। বেশ উপভোগ করেছি। IMDB'র রেটিংও বেশ ভাল ১০ এ ৮.২।

স্পয়লার এলার্ট
---------------------
দীর্ঘ ১৪ বছর এই মামলা ঝুলে থাকার পর ফাঁসি হয়। ধনঞ্জয় এর ফাসির, ৪ বছর পর একজন ইয়াঙ লয়ার ধনঞ্জয়ের মামলাটি পুনরায় চালু করে এবং তৈরি করে নানা রকম প্রশ্ন। ধনঞ্জয় কি আসলেই ধর্ষন করেছিল বা হত্যা করেছিল? নাকি তাকে ফাঁসানো হয়েছে? এরকম নানা রকম প্রশ্ন উঠে আদালত পাড়ায়।

Gerald's Game

আজকে কথা বলতে আসছি Stephen king এর উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি করা মুভি 'Gerald's Game' নিয়ে। বইটা পড়া নেই, ইচ্ছা আছে পড়ার। জানি না বইয়ে কী আছে।আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। অনেকের রিভিউতে দেখলাম বেস্ট এডাপটেশন বলেছে। বেশকয়েকটা যায়গায় দেখলাম ডিরেক্টর Mike Flanagan যখন বইটা পড়েন তখন থেকেই নাকি তার সপ্ন ছিল এইটা নিয়ে মুভি বানানোর। বুজতেই পারছেন ড্রিম জব, খারাপ হবার পসিবিলিটি খুব কম।
মুভি দেখার আগে এক্সপেকটেশন একদম কম ছিল। এই মুভিতে গতানুগতিক সার্ভাইবাল বিষয়াদি ছাড়া আর কী থাকতে পারে এমন ভাবসাব নিয়ে দেখতে বসেছি। মোটামুটি টেনেটুনে দেখার প্রিপারেশন নিয়ে রাখছিলাম। মুভি কিছুক্ষণ দেখার পর নড়েচড়ে বসতে হলো। তারপর একের পর এক ভাল লাগার দৃশ্যপট সব চোখের সামনে আসতে শুরু করলো।
এই বছরে বেশ কয়েকটা হরর মুভি দেখেছি। ভাল লাগার মুভির তালিকায় এইটাও অন্তর্ভুক্ত করলাম। এখনকার হরর মুভিগুলো আসলেই পরিবর্তন হয়েছে এবং বেশ ভাল করছে।
Movie: Gerald's Game(2017)
Genre: Horror, Thriller
Director : Mike Flanagan
IMDB: 7
Rotten Tomatoes: 90% 

মুভি প্লট:
জেসি এবং গেরেল্ড তাদের বিবাহ জীবনকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য শহর থেকে দূরে একটা লেক হাউজে যাই। ওইটা একদম নির্জন এলাকা। এর ৩০-৪০ মাইল দূরত্ব পর্যন্ত কেউ বাস করে না।মুভির এক পর্যয়ে গেরেল্ড তার ওয়াইফ জেসির হাত খাটের সাথে হ্যানন্ডকাফ লাগিয়ে এক অদ্ভুত খেলা খেলতে চায়। এক্সিডেন্টলি জেসির হাজব্যান্ড গেরেল্ড ওই মুহূর্তেই মারা যায়। জেসি তখন বিপদে পরে যায়। একেতো আশে পাশে কেউ নেই এর মধ্যে হাত বাঁধা।
এরপর শুরু হতে থাকে অদ্ভুত সব কল্পনা, স্মৃতিচারণ মূলক ঘটনা। এইভাবে মুভির রোমাঞ্চকর গল্প এগোতে থাকে। মুভিতে চাইল্ড এবিউজিং এর বিষয়টাও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
আশাকরি সবার ভালো লাগবে।

Saturday, 28 October 2017

ডুবে কি ডুব দিতে পেরেছি?

ডুবের ট্রেইলার দেখেই বুঝা যায়, ডুব যথেষ্ট স্লো মুভি হবে। যারা স্লো স্লো বলে চিল্লাচ্ছেন তারা কি ট্রেইলার না দেখেই মুভি দেখতে গিয়েছিলেন?
আচ্ছা বাদ দেন আমি আমার ভালো লাগা খারাপ লাগাগুলো একটু আলোচনা করি। প্রথমে একটা কথা বলে রাখি মুভির যে হাইপ পরিচালক তুলেছিলেন তার ধারে কাছেও ডুব নেই। তাই বলে কি ডুব খারাপ ছবি, ডুব অখাদ্য ছিল। মোটেও না, বরংচ কোন কোন ক্ষেত্রে ফারুকীর অন্যান্য ছবি থেকে এগিয়ে।
মুভির প্রথমার্ধে মুভি সম্পর্কে একটা পজিটিভ ইমেইজ তৈরি হচ্ছিল ধিরে ধিরে। মনে হচ্ছিল বাহ বেশতো। এরকম মুভিইতো চাচ্ছিলাম। বেশকয়েকটা ক্যামেরার কাজ প্রশংসনীয়।আবার কয়েকটা দৃষ্টিকটু মনে হচ্ছিল। গল্প বলার ধরনটাও ভালো লাগছিল। শুধু আমি না আমার সাথে যে ফ্রেন্ড ছিল তারও একই অভিমত। হলের সুবাদে অন্যান্য দর্শকের মতামতও জানা যায়। বেশ পজিটিভ রেস্পন্স পাচ্ছিলাম। শুধু আমার সামনের সারির লোকদের দেখছিলাম বার বার নাটক নাটক বলতেছিল। এই প্রসঙ্গটা যেহেতু আসলো বলে রাখি মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীর একটা অপবাদ আছে, ফারুকী নাকি মুভি বানায় না নাটক বা টেলিফিল্ম বানায়। ডুব দেখে যদি কেউ ডুবকে নাটক বলে তাহলে আমি বলবো ভাই ড্রামা জনরা প্লিজ এভয়েট করেন। ফারুকীর বেস্ট সিনেমেটোগ্রাফি দেখেছি ডুবে। কালার গ্রেডিং, পিকচারাইজেশন এভরিথিং ইজ ওকে। আর আবহ সঙ্গীতের কথা কী বলবো, চরিত্রগুলোকে আরো গভীরে নিয়ে যাচ্ছিল।

সবায় বলতে পারেন সবিতো পজিটিভ বলছেন, তাহলে খারাপ লাগলো কেন?
প্রথমার্ধে যেরকম ভাল লাগা কাজ করছিল, শেষার্ধে তার ঠিক উল্টোটা মনে হচ্ছিল। সত্য কথা বলতে স্লো মুভির ফ্যান হয়েও বোর ফিল করছিলাম। চরিত্রগুলো আর টানছে না। জাভেদ হাছান মানে ইরফান খান মারা গেল আমার মনে বেদনা কাজ করছে না। প্রথম ফ্যামিলির সাথে যোগাযোগ করতে পারছে না, আমি তেমন কোন অনুভূতি ফিল করতে পারছিলাম না। যেমনটা পেরেছিলাম প্রথমার্ধে বাবা মেয়ের সম্পর্কে। শেষের দিকে খুব তারাহুরা করেছে। মনে হচ্ছিল পরিচালক গল্পটা কোন রকম শেষ করতে পারলেই বাঁচে।
**মুভির সবচেয়ে ভাল লাগা দিক: প্লট সবায় কম বেশী জানেন। জাভেদ হাছান এর সাথে তার প্রথম ফ্যামিলি বিচ্ছেদের পর তাদের ঘুরে দাড়ানোর বিষয়টা খুব ভাল লেগেছে। একটা মহিলা একা তার প্রাক্তন হাজব্যান্ড এর সাহায্য ছাড়া যেভাবে সংসারটা আগলে ধরেছে এ বিষয়টা খুব নাড়া দিয়েছে। মনে হচ্ছিল প্রত্যেকটা দৃশ্য বলে দিচ্ছে হ্যাঁ, আমরা তোমাকে ছাড়াও অনেক ভাল থাকতে পারি।তুমার সহায়তা দরকার নেই। তুমি তুমার মতো থাাক। আরেকটা বিষয় একদম শেষের দিকে যখন প্রথম স্ত্রীর কাছে জাভেদ হাছান( ইরফান খান) এর মৃত্যুর সংবাদ আসে তাদের যে প্রতিক্রিয়া ছিল অসাধারন।
**মুভির সবচেয়ে দুর্বল বা খারাপ লাগা দিক: চিত্রনাট্যে আহামরি কিছু নেই। এতোটা সুযোগ থাকার পর, যেহেতু অফিশিয়াল বায়োপিক না এরকম চিত্রনাট্য হওয়ার কোন মানে হয় না। গল্পটাকে আরো সুন্দরভাবে সাজানোর অনেক স্কুপ ছিল। আরো সুন্দর ফিকশনাইজড করতে পারতেন। তা না করে উনি কী করেছেন, ওই আমরা পত্রিকায়, মানুষের মুখে মুখে হুময়ুন আহমেদ নিয়ে যা যা শুনেছি সব তুলে দিয়েছেন। কোন প্রকার রিসার্চ ছাড়া চিত্রনাট্য লিখলে যা হয়। যে কেউ দেখলে বুঝবেন যে এক বসাতেই লেখা হয়েছে। 

আমরা, বিশেষ করে আমি এই হুমায়ুন ইস্যু নিয়ে অত্যন্ত বিরক্ত। সেই কবে থেকেই এই ইস্যু নিয়ে তর্ক বিতর্ক করে আসছি। আবারো সেইম জিনিশ একটু গল্প আকারে পর্দায় দেখলাম এই যা।
যাইহোক বাংলা মুভি বিবেচনায় ১০ এ ৭ দিলাম।

Thursday, 16 February 2017

Hell or High Water

Taylor Sheridan গতবার প্রশংসিত হয়েছিল Sicario(2015) এর জন্য। এবার প্রশংসিত হয়েছে Hell or High Water এর জন্য।মূলত David Mackenzie ও Taylor Sheridan এর কম্বিনেশন এ তৈরী হয়েছে এক অসাধারণ ক্রাইম ড্রামা মুভি। এই ধরণের স্লো ওয়েস্টার্ন ধরণের মুভি গুলো আসলে দেখতে বেশ ভাল লাগে। মুভির প্রথম কয়েকটা সিন দেখেই মুভির প্রেমে পরে গিয়েছিলাম।  ..............
মুভির প্লট খুবই সিম্পল। দুই ভাই এর মধ্যে একজন ট্যানার সদ্য জেল ফেরৎ, মদ্য পান করে।  আরেকজন টবি সহজসরল,তালাকপ্রাপ্ত যে কিনা তার সন্তানদের জন্য একটা ভাল জীবন তৈরী করতে চান। নরমাল একটা ব্যাংক রোবারি দিয়ে মুভির কাহিনী শুরু হয়। তার পর তারা ওই সেইম ব্যাংক এর অন্য একটি ব্রাঞ্চ আবারো ডাকাতি করে বসে।এভাবে পর পর তিনটি ডাকাতি হয়।কেন তারা ডাকাতি করে? আপাতত মনে হচ্ছে দারিদ্রতার কারণে তারা ব্যাংক ডাকাতি করেছে। নাকি এর পেছনে অন্য আরও কোন কারণ আছে? 
এই কেইস এর ইনভেস্টিগেশন এর দায়িত্ব এসে পরে দুইজন টেক্সাস রেঞ্জর্স এর উপর। এর মধ্যে একজন হল আমেরিকান যে কিনা অল্প কিছুদিনের মধ্যেই রিটায়ার্ড হতে যাচ্ছে।  আরেকজন হচ্ছে ইন্ডিয়ান। মূলত এই চার জন কে ঘিরেই মুভির কাহিনী এগুচ্ছে। 
...........
দুই ভাই টবি  ও ট্যানার এর চরিত্রে অভিনয় করেছে যথাক্রমে Chris Pine ও Ben Foster . এবং দুইজন টেক্সাস রেঞ্জার্স Marcus Hamilton ও Alberto Parker এর চরিতে অভিনয় করেছে  যথাক্রমে Jeff Bridges ও Gil Birmingham . দুই ভাই টবি  ও ট্যানার এর ভালবাসা যেমনভাবে আপনার মধ্যে ভাল লাগা লাগাবে। ঠিক একই ভাবে দুইজন টেক্সাস রেঞ্জার্স এর কটোক্তিকর মিষ্টি ভাষা গুলোও আপনাকে আনন্দ দিবে। মুভির সবথেকে ভাল লাগা বিষয়টি হচ্ছে এর স্ক্রিনপ্লে ও অসাধারণ ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক। 
............
মুভির হিডেন মিনিং  ছিল মূলত পশ্চিমের ব্যাংক ব্যবস্থা নিয়ে। মুভির কয়েকটা বিষয় লক্ষ্য করলেই বুঝতে পারবেন। প্রথম লুট করা ব্যাঙ্ক এর দেয়ালে লিখা ছিল "Three tours in Iraq but no bailout for people like us."
................
Hell or High water অস্কার ২০১৭ এ চারটি  ক্যাটাগরি তে নোমিনেটেড হয়েছে। বেস্ট মোশন পিকচার তো আছেই , বেস্ট সাপোর্টিং এক্টর হিসেবে নোমিনেটেড হয়েছেন Marcus Hamilton চরিত্রে  Jeff Bridges . বেস্ট রাইটিং এর ক্যাটাগোরিতে আছে Taylor Sheridan .  

Movie: Hell or High Water 
Director:  David Mackenzie 
Imdb: 7.7
Rotten Tomatoes: 98% 
Personal Rating: 9.5 out of 10  

Monday, 29 August 2016

Indian director Shekhor Das copied Bangladeshi writer Humayun's Novel DEVI.

কোলকাতার ডিরেক্টর শেখর দাসের "ই এস পি একটি রহস্য গল্প" এর সাথে বাংলাদেশের নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ এর দেবী  বই এর সাথে হুবুহু মিলে যায়.অথচ তারা হুমায়ুন আহমেদ এর কোন কার্টেসি না দিয়ে নিজেদের নাম মুভি চালিয়ে দিয়েছে।  মুভিটি কিছুদিন আগে জি বাংলাতে প্রিমিয়াম করাই হুমায়ুন ভক্তরা এটি প্রথম লক্ষ করে। পরে ফেসবুকে এ নিয়ে প্রচুর  লেখা লেখি হয়. শেষ খবর শুনা যায় যে মেহের আফরোজ শাওন কোলকাতা  যাবে আইনি লড়াইয়ের জন্য।
রিসেন্টলি Mulholland Drive বিবিসি কর্তৃক ২১ দশকের সেরা মুভি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ক্রিটিকরা কেন এই মুভি কে এত ভোট দিয়েছে জনতে হলে অবশ্যই মুভিটি দেখতে হবে। আমি যখন মুভি দেখা শুরু করি তখন মনে হচ্ছিল নরমাল কাহিনী, বাট মাথাটা ঘুরালো মুভির শেষের দিকে গিয়ে। যারা এরকম কঠিন Mystery দেখতে ভালবাসের তাদের জন্য মাস্ট ওয়াচ।

সিনেমার প্রথম দিকে দেখা যায়, একটা সুন্দরী রমণী কার এক্সিডেন্ট করে স্রৃতি শক্তি হারিয়ে ফেলে। পরে লস এঞ্জেলস এর রাস্তা ধরে এক বাসায় আশ্রয় নেই. ঐ দিকে বেটি (naomi watts) ফেমাস এক্ট্রেস হবার স্বপ্ন নিয়ে তার আন্টি এর বাসায় এসে ওই স্রৃতিভ্রম মহিলাকে আবিষ্কার করে. তার পর তারা দুজনে মাইল ওই সুন্দরী রমণীর স্মৃতি ফেরানোর চেষ্টা করে. এই পর্যন্ত শুনে কি মনে হচ্ছে কাহিনী সিম্পল??
ছুট্ট একটা স্পয়লার দিয়ে দেই "বাস্তবতা এবং স্বপ্ন".
MOVIE: MULHOLLAND DR.
IMDB: 8/10
DOWNLOAD LINK:https://yts.ag/movie/mulholland-dr-2001
DIRECTOR: David Lynch.

Friday, 20 May 2016

The Shawshank Redemption

‘সংসার সাগরে দুঃখ তরঙ্গের খেলা, আশা তার একমাত্র ভেলা’। কথাটি চরমভাবে সত্য। কোনো জীবনে যদি আশা-ই না থাকে তাহলে সে জীবনের কোনো মূল্য থাকে না, কোনো স্বপ্ন থাকে না। আশা এমন একটি বিষয় যাকে বিশ্বাস করে সামনের পথে এগিয়ে চলা উচিত। তাহলেই একটি জীবনের চরম সৌন্দর্য উপভোগ করা সম্ভব। আশায় বিশ্বাস না করলে সে জীবনকে প্রকৃত জীবন হিসেবে উপভোগ করা যায় না। খেয়াল করে দেখবেন যে ব্যক্তি আশায় বিশ্বাস করে না বা যার জীবনে কোনো আশা নেই সে মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্থ। তার জীবনে কোনো স্বপ্ন বাসা বাঁধে না। সে জীবিত থেকেও মৃত। তাই প্রতিটি মানুষেরই জীবনকে উপভোগ করার জন্য আশায় বিশ্বাস করা উচিত, স্বপ্ন দেখা উচিত।
জীবনের সব আশাকে জীবনের কোন এক সময় হলেও বাস্তবে রূপদান করা প্রতিটি মানুষের সুপ্ত আশা থাকে। "দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান" হল সেই আশা, বাস্তব এবং জীবনের মানে কি তা খুজে বেড়ানোর নাম। জীবনে হার না মানার এক মূর্ত প্রতিচ্ছবির নাম "দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান”"
"দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান” শুধু একটি চলচিত্র নয়, বাস্তবতার অন্য নাম "দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান।" মিথ্যা মামলায় জীবনের অনেক গুলো বছর হারিয়ে যাবার নাম "দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান।" জেল খানায় প্রতি পদে পদে অপমান এবং নির্যাতনের অপর নাম "শশাংক রিডাম্পশন।" জীবনকে নতুন ভাবে খুজে পাওয়ার পরও সেখান থেকে বের হতে না পারার নাম "দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান।" জীবনের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ সময় একটি বন্দীশালায় থেকে শেষ জীবনে হতাশার সাথে জীবন থেকে পালিয়ে যাবার নাম "দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান।" "দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান" একটি নাম কিন্তু নামের দিকগুলো বহুমাত্রিক।
ফ্রাঙ্ক ডারাবণ্ট পরিচালিত ১৯৯৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এ মুভির প্রতিপাদ্য হতাশাগ্রস্থ জীবন, মুক্তির স্বপ্ন আর আত্মার স্বাধীনতা। কাহিনী তেমন কিছু না যদি এভাবে বলি-
"১৯৪৭ এ ব্যাংকার এ্যান্ডি ডুফ্রেন্স এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে তার স্ত্রীকে এবং তার স্ত্রীর প্রেমিক কে খুন করার। উকিলের সামনে অভিযোগ প্রমানে ব্যার্থ হওয়াতে তার যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়। পাঠিয়ে দেয়া হয় শশাঙ্কের কারাগারে। ওয়ার্ডেন নর্টন মানুষরূপী নরপিশাচ। তার ডানহাত ক্যাপ্টেন হ্যাডলি। সাথে যুক্ত হয়েছে হে-উড এর পাশবিক লালসা এবং তার গ্যাং। এত কিছুর ভিড়েও এ্যান্ডি খুজে পায় বন্ধু রূপে অমুল্য রত্ন ‘রেড’কে । তার সাহায্যে একটি পাথর খোদাই করার হাতুরিও পায় এ্যান্ডি। কিন্তু কি করবে সে এই হাতুরি দিয়ে? রেড তো আগেই তাকে বলে দিয়েছে কারাগারের পাথুরে দেয়াল খোদায় করতে ৬০০ বছর লেগে যাবে।" বাকিটা মুভিতে।
"দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান" কে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে বিশ্লষন করি তাহলে দেখা যাবে মুভির মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে জেল খানার থেকে বের হবার পরের জীবন, জেলে অবস্থানকালীন জীবন এবং জীবনের সংজ্ঞা।
জেলে খানার জীবন আসলেই প্রতিটি মানুষের কাছে কষ্টকর। অনেকেই সেখানে আসে, কেউ গুরুতর অপরাধ করে কেউ বা মিথ্যা মামলায় আসামী হয়ে। "দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান" মুভিতে দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে সেই সব অন্ধকার দিকে যেখানে প্রতিদিন শারীরিক এবং মানষিকভাবে নির্যাতিত হতে হয় এইসব আসামীদের।
"দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান" হল ক্রাইমের একটি মাস্টারপ্ল্যান মুভি। ক্রাইম কি, কি করে করতে হয় আর একটি পারফেক্ট ক্রাইম কিভাবে আসল দোষীদের বের করে নিয়ে আসতে পারে তার প্রতিমূর্তি হল "দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান।" নিজের ইচ্ছা শক্তির কাছে কোন কিছুই যে বাধা হিসাবে দাড়াতে পারে না তা এ্যান্ডি ডুফ্রেন্স এর মাস্টার প্ল্যান বলে দেয়।
"দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান" হল বন্ধুত্বের চলচিত্র। জীবনের শেষ সময়ে যখন রেড হতাশ হয়ে যায় চলে যায় তার বহুদিনের জেলখানার বন্ধুর কাছে। তার দেওয়া কথা সে ঠিক মতই মনে রাখে।
"দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান" জীবনের হতাশা থেকে মুক্তি না পেলে মানুষ নিজেকে কি করে নিঃশেষ করে ফেলে তার উপর আলোকপাত করেছে। ৫০ বছর একটি মানুষ জেলখানাতে কাটিয়ে ফেললে তার জীবনে আর কি আছে? কোন যুক্তিতে তাকে তখন এই নিষ্টুর জীবনে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, তখন এই মুক্ত জীবন কি তার নিকট সব থেকে বড় শাস্তি হয়ে দাঁড়ায় না? যে মানুষের নিকট ইটের দেওয়াল ছিল সব থেকে বড় শত্রু, একসময় এই ইটের দেওয়ালের মায়াতে সে বাধা পড়ে যায়। মুক্ত জীবন তার নিকট হয়ে যায় সব থেকে বড় শাস্তি। ব্রুক্স যখন ৫০ বছর পরে এই নরক থেকে প্যারোলে ছাড়া পেলো সে একটি চিঠি লিখে রেড কে, সেই চিঠিতে এদিক টি খুব বেশি ফুটে উঠে। চিঠিতে ছিল -
“বন্ধুরা, বহিঃবিশ্ব যে এতটা গতিময় তা বিশ্বাস হতে চায় না। যখন ছোট্ট ছিলাম, তখন একবার একটা গাড়ি দেখেছিলাম আমি। কিন্তু এখন… গাড়িতে ভরে গিয়েছে শহর। পুরো পৃথিবীটাই যেন অনেক ব্যাস্ত। প্যারোল বোর্ড আমাকে যে বাড়িতে থাকার জায়গা দিয়েছে তার নাম ‘ব্রিউয়ার’। একটি চাকরীও দিয়েছে সাথে গ্রোসারীতে পন্য ব্যাগে ভরে দেবার। কঠিন কাজ, তাল মিলিয়ে চলার চেষ্টা করি। কিন্তু জানো তো বয়স হয়েছে; হাত প্রায়শই ধরে আসে। ম্যানেজার আমাকে খুব একটা পছন্দ করে বলেও মনে হয় না বৃদ্ধ বলে। কাজ শেষে মাঝে মাঝে পার্কে যাই পাখিদের খাওয়াতে। আর ভাবি ‘জেড’ (পোষা কাক) আকাশে উড়তে উড়তে কোনোদিন আমাকে খুজে পাবে। সে যেখানেই থাকুক, আশা করি ভাল আছে আর নতুন অনেক বন্ধুও জুটিয়েছে। রাতে ঘুম আসে না আমার; ভয়ঙ্কর স্বপ্ন দেখে জেগে উঠি। মাঝে মাঝে ভুলে যাই কোথাই আছি। ইচ্ছে করে একটা পিস্তল জোগার করে দোকানে ডাকাতি করি যাতে তারা আমাকে আবার আমার বাসাতে ফেরত পাঠায়। সাথে যদি ম্যানেজারকেউ খুন করতে পারতাম! কিন্তু বড় বেশি বৃদ্ধ হয়ে গেছি আমি এমন কাজ করতে। এখানে থাকতে ইচ্ছে করে না, সব সময় ভয় পেতে পেতে আমি ক্লান্ত। ঠিক করেছি… আর থাকব না। মনে হয় না কারো কিছু এসে যাবে এই বুড়ো মানুষটার জন্য”

"দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান" নিয়ে আসলে বলার অনেক কিছুই আছে আবার কিছু নেই। কিছু কিছু মুভি আছে যাকে নিয়ে বলা যায় না, যার ভালোলাগা ব্যাক্ত কর যায় না। মনে হয় কি বললাম, আসলেই বলতে পেরেছি কি? মুভিটি অস্কার পায়নি তো কি হয়েছে, ২২ বছর ধরে মানুষের ভালোবাসা পেয়ে এসেছে জানি সামনের দিনগুলোতেও পাবে। "দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান" এর তুলনা শুধু সে নিজে। "দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান" কালজয়ী সংলাপগুলো আসলে এক কথায় অনিন্দ সুন্দর। জীবনে হতাশ যখন গ্রাস করে তখন মনে পড়ে যায় -
➔ “Remember, Red, hope is a good thing, maybe the best of things. And no good thing ever dies.”
➔ "Get busy living, or get busy dying."
➔ "They say it has no memory. That's where I want to live the rest of my life. A warm place with no memory."
এইসব বিখ্যাত সংলাপগুলো। আমার কাছে "দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান" হল ভালোবাসার চলচিত্র, বন্ধুত্বের চলচিত্র, জীবনে হার না মানার চলচিত্র। "দ্যা শশাঙ্ক রিডেম্পশান" একটি চলচিত্র কিন্তু চলচিত্রের চিত্রগুলো একক নয়, ছড়িয়ে গিয়েছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম।
➔ ডাউনলোড লিংকঃ https://kat.cr/the-shawshank-redemption-1994-720p-brrip-x26…

 Abdullah Al-Manee

LIVE FROM DHAKA | ABDULLAH MUHAMMAD SAAD | MEDIASCOPE

LIVE FROM DHAKA “ আমি কোন নবি-রাসূল নয়, আমি একটা মানুষ, আমার সহ্যের একটা লিমিট আছে।“ -       সাজ্জাদ  (লাইভ ফ্রম ঢাকা) আমাদের ...